রঞ্জিত সিংহের কবিতা
আত্মজীবনী মূলক
লক্ষ ওয়াটের বাতি জ্বলছে তার দেহে ।
মনে হচ্ছে ,ক্যামেরা প্যান্ করতে করতে
হঠাৎ বিশাল ঝাড় লণ্ঠনের সামনে আমাকে
দাঁড় করিয়ে দিয়েছে ।
ক্রমে ঘিরে ফেলছে দীপগাছ
স্ফুলিঙ্গের পত্ররাশি -
'ভয় কি ,আমি তো রয়েছি এখনো্ ,
মাভৈ বলে এবার এগোও ,এগোও '।
কিন্তু আমার এ চামড়া-মোড়া এ বাসায় কখনো
ইলেকট্রিক ওয়েরিং হয় নি । হ্যাঁ ,মিস্ত্রি ও দেখে গিয়েছিল ।
হেসে বলে গেছে -এ যে স্যার ,চামড়াও নয় সবটাই মাটির
এতে আলো জ্বলবে না ।
মনে পড়ল , ঠিক ঠিক ,উনি তো বলেছিলেন ,
মজবুতি দেয়াল বানাও ,
হাড়ে ইঁটের গাঁথনি ,মাংসে পলেস্তারা ।
তারপর ওয়েরিং সহজেই হয়ে যাবে ।
বাতি জ্বলবে -ঝাড়লণ্ঠনের রাজ রাজেশ্বর আলো ।
রাবণের যেমন স্বর্গের সিঁড়ি করা হল না অথচ
সীতা হরণে একটুও তর সয় নি ,তেমনি আমার দেয়ালও
পাকা হল না ,বিজলীও জ্বলল না ।
অথচ ক্ষোভ দুঃখের ভুসোকালির অন্ধকার রঙে
একটা চওড়া ড্রপ সীন বানিয়ে ফেলেছি ।
দরজা নেই , দরজা মতন একটা ছোট ফোঁকরের মধ্য দিয়ে
রোজকার চলাচল ।
মাথা নিচু করে সকালে সুড়ুৎ করে বেরিয়ে সন্ধ্যায়
হেঁট মুণ্ড-সেই ভাবে ঢুকে পড়ি ।
চোখ বুঁজলে দেখি , একটা মস্ত বড় বাতি শূন্য পথে
আকাশ পেরিয়ে চলে যাচ্ছে ভাসতে ভাসতে
হাত বাড়াচ্ছি ..হাত বাড়াচ্ছি ..
কিন্তু কোথায় কি ?
কিন্তু আমার এ চামড়া-মোড়া এ বাসায় কখনো
ইলেকট্রিক ওয়েরিং হয় নি । হ্যাঁ ,মিস্ত্রি ও দেখে গিয়েছিল ।
হেসে বলে গেছে -এ যে স্যার ,চামড়াও নয় সবটাই মাটির
এতে আলো জ্বলবে না ।
মনে পড়ল , ঠিক ঠিক ,উনি তো বলেছিলেন ,
মজবুতি দেয়াল বানাও ,
হাড়ে ইঁটের গাঁথনি ,মাংসে পলেস্তারা ।
তারপর ওয়েরিং সহজেই হয়ে যাবে ।
বাতি জ্বলবে -ঝাড়লণ্ঠনের রাজ রাজেশ্বর আলো ।
রাবণের যেমন স্বর্গের সিঁড়ি করা হল না অথচ
সীতা হরণে একটুও তর সয় নি ,তেমনি আমার দেয়ালও
পাকা হল না ,বিজলীও জ্বলল না ।
অথচ ক্ষোভ দুঃখের ভুসোকালির অন্ধকার রঙে
একটা চওড়া ড্রপ সীন বানিয়ে ফেলেছি ।
দরজা নেই , দরজা মতন একটা ছোট ফোঁকরের মধ্য দিয়ে
রোজকার চলাচল ।
মাথা নিচু করে সকালে সুড়ুৎ করে বেরিয়ে সন্ধ্যায়
হেঁট মুণ্ড-সেই ভাবে ঢুকে পড়ি ।
চোখ বুঁজলে দেখি , একটা মস্ত বড় বাতি শূন্য পথে
আকাশ পেরিয়ে চলে যাচ্ছে ভাসতে ভাসতে
হাত বাড়াচ্ছি ..হাত বাড়াচ্ছি ..
কিন্তু কোথায় কি ?
No comments:
Post a Comment